ডঃ বি আর আম্বেদকর সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিশেষ বৃত্তি প্রকল্প চালু করেছে। ২০২৬ সালে হরিয়ানা ও দিল্লির মতো রাজ্যে এই বৃত্তির আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পাস করা মেধাবী শিক্ষার্থীরা বার্ষিক ৮,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাবেন। অন্যদিকে, দিল্লির টপার অ্যাওয়ার্ড স্কলারশিপে এককালীন ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। চলুন জেনে নিই এই বৃত্তির বিস্তারিত তথ্য।
ডঃ আম্বেদকর স্কলারশিপ কী?
ডঃ আম্বেদকর স্কলারশিপ মূলত রাজ্য সরকারের সমাজকল্যাণ বিভাগ দ্বারা পরিচালিত একটি মেধাভিত্তিক বৃত্তি প্রকল্প। হরিয়ানায় এটি ‘ডঃ আম্বেদকর মেধাবী ছাত্র সংশোধিত যোজনা’ নামে পরিচিত। এই বৃত্তির মূল লক্ষ্য তফসিলি জাতি (SC), অন্যান্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণি (OBC), এবং অন্যান্য অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল সম্প্রদায়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
বিভিন্ন রাজ্যে এই প্রকল্পের নাম ও বৃত্তির পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। হরিয়ানা রাজ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সেখানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তি পেয়ে থাকেন। দিল্লিতে ডঃ আম্বেদকর টপার অ্যাওয়ার্ড নামে আরেকটি স্কলারশিপ প্রকল্প রয়েছে, যেখানে এককালীন ২৫,০০০ টাকা দেওয়া হয়।
বৃত্তির পরিমাণ (টাকার পরিমাণ)
বিভিন্ন রাজ্যে এই বৃত্তির পরিমাণ কিছুটা ভিন্ন। নিচে প্রধান দুটি প্রকল্পের তথ্য দেওয়া হলো:
১. হরিয়ানার ডঃ আম্বেদকর মেধাবী ছাত্র বৃত্তি
এই বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা নিম্নলিখিত পরিমাণ বার্ষিক বৃত্তি পাবেন:
| শিক্ষার স্তর | বৃত্তির পরিমাণ |
|---|---|
| মাধ্যমিক (১০ম) পাস করে উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হলে | ₹৮,০০০ – ₹১২,০০০ |
| উচ্চমাধ্যমিক (১২ম) পাস করে স্নাতক স্তরে ভর্তি হলে | ₹৮,০০০ – ₹১২,০০০ |
| স্নাতক পাস করে স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তি হলে | ₹৮,০০০ – ₹১২,০০০ |
বৃত্তির সঠিক পরিমাণ নির্ভর করে প্রার্থীর প্রাপ্ত নম্বর ও ক্যাটাগরির উপর।
২. দিল্লির ডঃ আম্বেদকর টপার অ্যাওয়ার্ড
| বৃত্তির ধরন | পরিমাণ |
|---|---|
| টপার অ্যাওয়ার্ড (এককালীন) | ₹২৫,০০০ পর্যন্ত |
এই বৃত্তিটি বিশেষভাবে পেশাগত ও প্রযুক্তিগত কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য। যারা ১০ম ও ১২ম পরীক্ষায় নিজ নিজ বোর্ডে শীর্ষ নম্বর পেয়েছেন, তারাই এই পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হন।
যোগ্যতা: কারা আবেদন করতে পারবেন?
হরিয়ানার বৃত্তির জন্য যোগ্যতা:
আবাসিক যোগ্যতা:
-
প্রার্থীকে হরিয়ানার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে
সম্প্রদায়:
-
তফসিলি জাতি (SC)
-
অন্যান্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণি (Backward Classes – Block A ও B)
-
বিমুক্ত জাতি (Vimukt Jaati)
-
তাপরিবাস জাতি (Tapriwas Jaati)
আর্থিক শর্ত:
-
পরিবারের বার্ষিক আয় ₹৪,০০,০০০ (চার লক্ষ টাকা)-এর নিচে হতে হবে
শিক্ষাগত শর্ত (ন্যূনতম নম্বর প্রয়োজন):
| প্রার্থীর ধরণ | মাধ্যমিকে প্রয়োজনীয় নম্বর | উচ্চমাধ্যমিকে প্রয়োজনীয় নম্বর |
|---|---|---|
| SC (শহর এলাকা) | ৭০% | ৭৫% |
| SC (গ্রামীণ এলাকা) | ৬০% | ৭০% |
| BC (Block A) | ৭০% | নির্দিষ্ট |
| অন্যান্য সংরক্ষিত শ্রেণি | নির্দিষ্ট শতাংশ | নির্দিষ্ট শতাংশ |
দিল্লির টপার অ্যাওয়ার্ডের জন্য যোগ্যতা:
আবাসিক যোগ্যতা:
-
প্রার্থীকে দিল্লির স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে
সম্প্রদায়:
-
SC/ST/OBC
শিক্ষাগত শর্ত:
-
পেশাগত/প্রযুক্তিগত কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী হতে হবে
-
১০ম ও ১২ম পরীক্ষায় নিজ নিজ বোর্ডে শীর্ষ নম্বর পেয়েছেন – এমন প্রার্থী
প্রতিষ্ঠান:
-
দিল্লির স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়তে হবে

আবেদনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
আবেদনের সময় নিচের ডকুমেন্টগুলো স্ক্যান করে (JPEG/PDF ফরম্যাটে) রেডি রাখুন:
| ক্রম | নথির নাম | প্রয়োজনীয়তা |
|---|---|---|
| ১ | সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি | বাধ্যতামূলক |
| ২ | স্বাক্ষর (সাদা কাগজে কালো কালি দিয়ে) | বাধ্যতামূলক |
| ৩ | আধার কার্ড (বাধ্যতামূলক) | বাধ্যতামূলক |
| ৪ | মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের মার্কশিট ও সার্টিফিকেট | বাধ্যতামূলক |
| ৫ | জাতি শংসাপত্র (SC/BC/OBC-র জন্য) | বাধ্যতামূলক |
| ৬ | আয় শংসাপত্র (ইনকাম সার্টিফিকেট) | বাধ্যতামূলক |
| ৭ | হরিয়ানার ক্ষেত্রে পরিবার পরিচয় পত্র (Family ID) এবং ডোমিসাইল সার্টিফিকেট | বাধ্যতামূলক |
| ৮ | ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ (পাসবুকের প্রথম পৃষ্ঠার কপি) | বাধ্যতামূলক |
| ৯ | বর্তমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) | বাধ্যতামূলক |
| ১০ | কলেজ/স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সুপারিশপত্র | বাধ্যতামূলক |
| ১১ | অন্যান্য বৃত্তি সংক্রান্ত শংসাপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) | ঐচ্ছিক |
আবেদন প্রক্রিয়া (ধাপে ধাপে)
হরিয়ানার আবেদন পদ্ধতি:
ধাপ ১: অফিসিয়াল পোর্টালে যান
হরিয়ানা সরকারের স্কলারশিপ পোর্টালে যান। পোর্টালটির নাম স্মরণ রাখুন——ইন্টারনেটে সার্চ করে সহজেই পেয়ে যাবেন।
ধাপ ২: নিবন্ধন করুন
‘রেজিস্টার হেয়ার’ অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। আপনার সক্রিয় মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডি দিন। নিবন্ধন সফল হলে একটি রেজিস্ট্রেশন আইডি ও পাসওয়ার্ড পাবেন।
ধাপ ৩: লগইন করুন
প্রাপ্ত আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
ধাপ ৪: স্কিম নির্বাচন করুন
স্কলারশিপের তালিকা থেকে ‘Dr Ambedkar Medhavi Chattar Sansodhit Yojna’ নির্বাচন করে ‘Apply Online’ এ ক্লিক করুন।
ধাপ ৫: আবেদন ফর্ম পূরণ করুন
ফর্মটি খুলে নিচের তথ্যগুলো সঠিকভাবে দিন:
-
ব্যক্তিগত তথ্য (নাম, পিতার নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা)
-
শিক্ষাগত যোগ্যতার বিবরণ (পরীক্ষার নাম, বোর্ড, বছর, প্রাপ্ত নম্বর)
-
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ
-
পারিবারিক আয় ও জাতি সংক্রান্ত তথ্য
ধাপ ৬: নথি আপলোড করুন
পূর্বে রেডি করে রাখা ডকুমেন্টগুলো স্ক্যান করে সঠিক জায়গায় আপলোড করুন। নিশ্চিত করুন ফাইলের সাইজ ও ফরম্যাট সঠিক আছে।
ধাপ ৭: চূড়ান্ত জমা দিন
সব তথ্য যাচাই করে ফাইনাল সাবমিট করুন। সাবমিট করার পর একটি কনফার্মেশন পেজ দেখাবে। এই পেজটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে রাখুন——ভবিষ্যতে আবেদনের অবস্থা জানতে এটির প্রয়োজন হবে।
দিল্লির আবেদন পদ্ধতি:
দিল্লির জন্য বৃত্তিটি ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। তবে সাধারণ নিয়ম হলো:
-
সমাজকল্যাণ বিভাগের অফিসিয়াল পোর্টালে আবেদন করতে হবে
-
স্কুল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়
-
নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও সময়সীমা
| রাজ্য | স্কিমের নাম | শেষ তারিখ |
|---|---|---|
| হরিয়ানা | ডঃ আম্বেদকর মেধাবী বৃত্তি | ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ |
| দিল্লি | টপার অ্যাওয়ার্ড | ৩১ মে ২০২৬ |
সতর্কতা: হরিয়ানা ও দিল্লির বৃত্তিগুলোর শেষ তারিখ নিকটবর্তী। তাই নথিপত্র দ্রুত সংগ্রহ করে আবেদন সম্পন্ন করুন।
নির্বাচন প্রক্রিয়া
হরিয়ানার ডঃ আম্বেদকর স্কলারশিপের নির্বাচন প্রক্রিয়া:
-
অনলাইন আবেদন: যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করে
-
মেধা যাচাই: প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর ও ক্যাটাগরি অনুযায়ী মেধাতালিকা তৈরি হয়
-
ডকুমেন্ট যাচাইকরণ: শর্টলিস্টেড প্রার্থীদের ডকুমেন্ট যাচাই করা হয়
-
বৃত্তি বিতরণ: যাচাই সফল হলে বৃত্তির টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়
সতর্কীকরণ ও পরামর্শ
-
কোনো আবেদন ফি নেই: এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে কোনো টাকা লাগে না। কেউ টাকা চাইলে জালিয়াতি বুঝবেন এবং সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।
-
সঠিক তথ্য দিন: শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয় ও জাতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিন। মিথ্যা তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে।
-
নির্ধারিত তারিখ মেনে চলুন: নির্দিষ্ট শেষ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে হবে। হরিয়ানার ক্ষেত্রে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ শেষ তারিখ, সময় খুব সীমিত।
-
শুধুমাত্র অফিসিয়াল পোর্টালে আবেদন করুন: হরিয়ানার জন্য অফিসিয়াল পোর্টালের নাম মনে রাখুন——ইন্টারনেটে সার্চ করে সহজেই পেয়ে যাবেন। অন্য কোনো সাইটে আবেদন করবেন না।
-
শেষ মুহূর্তে আবেদন করবেন না: শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না, কারণ সার্ভার জটিলতা দেখা দিতে পারে। আজই আবেদন করে ফেলুন।
-
শিক্ষাগত যোগ্যতা নিশ্চিত করুন: আপনার প্রাপ্ত নম্বর প্রয়োজনীয় ন্যূনতম শতাংশ পূরণ করছে কিনা আবেদনের আগে যাচাই করে নিন।
সচরাচর জিজ্ঞাস্য (FAQs)
প্রশ্ন ১: ডঃ আম্বেদকর স্কলারশিপ পেতে কী কী যোগ্যতা প্রয়োজন?
উত্তর: আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে, SC/BC/OBC শ্রেভুক্ত হতে হবে এবং পরিবারের আয় নির্ধারিত সীমার (হরিয়ানায় ₹৪ লক্ষ) নিচে হতে হবে।
প্রশ্ন ২: হরিয়ানার বৃত্তিতে কত টাকা পাওয়া যায়?
উত্তর: শিক্ষার স্তর ও নম্বর অনুযায়ী ₹৮,০০০ থেকে ₹১২,০০০ পর্যন্ত বার্ষিক বৃত্তি দেওয়া হয়।
প্রশ্ন ৩: দিল্লির বৃত্তিতে কত টাকা পাওয়া যায়?
উত্তর: টপার অ্যাওয়ার্ডের অধীনে এককালীন ₹২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়।
প্রশ্ন ৪: আবেদনের শেষ তারিখ কত?
উত্তর: হরিয়ানার জন্য ৩১ জানুয়ারি ২০২৬। দিল্লির জন্য ৩১ মে ২০২৬।
প্রশ্ন ৫: এই স্কলারশিপের জন্য আবেদনের ফি কত?
উত্তর: সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কোনো প্রকার আবেদন ফি নেই।
প্রশ্ন ৬: পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার্থীরা কি এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন?
উত্তর: এই বৃত্তি প্রকল্পটি রাজ্যভিত্তিক। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার্থীরা হরিয়ানা বা দিল্লির বৃত্তিতে আবেদন করতে পারবেন না। তাঁদের নিজ রাজ্যের বৃত্তি প্রকল্পগুলি দেখতে হবে।
প্রশ্ন ৭: শুধুমাত্র SC/OBC শিক্ষার্থীরাই কি আবেদন করতে পারবেন?
উত্তর: হ্যাঁ, এই বৃত্তি প্রকল্পটি মূলত তফসিলি জাতি ও অন্যান্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি। সাধারণ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না।
উপসংহার
ডঃ আম্বেদকর স্কলারশিপ ২০২৬ সমাজের পিছিয়ে পড়া কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অসাধারণ সুযোগ। হরিয়ানা ও দিল্লির শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পাসের পর এই বৃত্তির আওতায় ৮,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন। তবে সময় খুব সীমিত। হরিয়ানার ক্ষেত্রে শেষ তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাচ্ছে এই সুযোগ। দিল্লির শেষ তারিখ ৩১ মে ২০২৬।
তাই আর দেরি না করে আপনার নথিপত্র সংগ্রহ করুন এবং অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে আবেদন করুন। শিক্ষার পথে আর্থিক বাধা দূর করে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার এই সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।
প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা:
আবেদনের জন্য অফিসিয়াল পোর্টালের নাম মনে রাখুন——ইন্টারনেটে সার্চ করে সহজেই পেয়ে যাবেন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সমাজকল্যাণ দপ্তরের ওয়েবসাইট চেক করুন। প্রয়োজনে আপনার স্কুল বা কলেজের শিক্ষকদের সাহায্য নিন।



Leave a Reply
View Comments